লালমনিরহাট জেলা দলিল লেখক সমিতির সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টায় লালমনিরহাট জেলা দলিল লেখক সমিতির কার্যালয়ে লালমনিরহাট জেলা দলিল লেখক সমিতির আয়োজনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলন লিখিত বক্তব্য রাখেন লালমনিরহাট জেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি মোঃ আবুবক্কর সিদ্দিক। দলিল লেখক গণের ৭দফা দাবি পাঠ করেন লালমনিরহাট জেলা দলিল লেখক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মোজাম্মেল হক। বক্তব্য রাখেন লালমনিরহাট জেলা দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ হামিদুর রহমান, লালমনিরহাট সদর উপজেলা দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সিরাজুল হক প্রমুখ। এ সময় দলিল লেখক সমিতি লালমনিরহাট জেলা ও উপজেলা শাখার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
লালমনিরহাট জেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি মোঃ আবুবক্কর সিদ্দিক লিখিত বক্তব্যে বলেন, কেন্দ্র ঘোষিত আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার বেলা ১১টায় একযোগে সারা বাংলাদেশের ৬১টি জেলায় দলিল লেখকগনের প্রাণের দাবী ৭দফা আদায়ের লক্ষে জেলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। তার-ই ধারাবাহিকতায় লালমনিরহাট জেলা দলিল লেখক সমিতি আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার বেলা ১১টায় লালমনিরহাট রেলওয়ে মুক্ত মঞ্চে জেলা সমাবেশের আয়োজন করেছেন। উক্ত সমাবেশে দলিল লেখকগণের প্রাণের ৭দফা দাবী উপস্থাপন করা হবে।
লালমনিরহাট জেলা দলিল লেখক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মোজাম্মেল হক ৭দফা সম্পর্কে বলেন, ১। দলিল রেজিষ্ট্রেশন পদ্ধতি আধুনিকায়নের নামে দলিল লেখকদের পেশাচ্যুত করা যাবে না। ২। সাবেক আইনমন্ত্রী মহোদয়ের প্রতিশ্রুতি দলিল প্রতি সম্মানী ভাতা নুন্যতম ৫০০০/= টাকা বাস্তবায়ন করতে হবে। ৩। লাইসেন্স প্রাপ্ত দলিল লেখক ব্যতিত অন্য কেহ দলিল লেখতে বা মুসাবিদা করতে পারবে না মর্মে প্রজ্ঞাপন জারী করতে হবে। ৪। থানা ও জেলা কার্যালয়ে সরকারী খরচে দলিল লেখকদের বসার ও নামাজের স্থান নির্মাণ করে দিতে হবে। ৫। যেহেতু পক্ষগণের সরবরাহকৃত কাগজ পত্রের ভিত্তিতে দলিল লেখা হয়, সেহেতু দলিল লেখকদের পেশাগত কারনে দলিল লেখা/মুসাবিদা কারক হিসাবে দলিল লেখকদের আসামী করা যাবে না। ৬। দলিল লেখক সমিতির থানা ও জেলা কমিটির সুপারিশ ব্যতিত অনভিজ্ঞদের দলিল লেখার লাইসেন্স প্রদান করা যাবে না মর্মে প্রজ্ঞাপন জারী করতে হবে। ৭। দলিল লেখক কাউন্সিল গঠণের অনুমতি দিতে হবে।